ডেস্ক রিপোর্ট।।
ফাইল ছবি
শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে চিকিৎসকদলের সদস্য এবং ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, খালেদা জিয়া এখন সিসিইউ আছেন। সেখানেই তার চিকিৎসা ও পরীক্ষাগুলো করা হচ্ছে। বিকাল সাড়ে ৪টায় মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক রয়েছে। সেখানে তার সর্বশেষ অবস্থা ও পরীক্ষার ফলাফলগুলো পর্যালোচনা করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী ম্যাডামের চিকিৎসা চলছে।’
এদিকে, হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কপি করা হয়। পরে রাতেই তাকে কেবিন থেকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।
গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে শনিবার বিকেলে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। বিএনপি থেকে বলা হয়, ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তাকে আবার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়াকে ভর্তি করানো হয় এভারকেয়ারের ব্লক-বি এর ৭২০৫ ও ৭২০৪ নম্বর কেবিনে।
এর আগে জ্বর ও অন্যান্য শারিরীক জটিলতা নিয়ে গত ১২ই অক্টোবর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার শরীর থেকে নেওয়া টিস্যুর বায়োপসি করা হয়।
এ পরীক্ষার পর তার চিকিৎসকেরা জানান, খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে উঠছেন। বায়োপসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর নানা পরীক্ষার পর তার চিকিৎসকেরা জানান, খালেদা জিয়া কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। পরে গত রোববার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় টানা ২৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেন খালেদা জিয়া।
গত ১০ এপ্রিল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। ২৭ এপ্রিল তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫৪ দিন পর ১৯ জুন তিনি গুলশানের বাসায় ফেরেন। একমাস পর ১৯ জুলাই তিনি করোনা টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ নেন।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫শে মার্চ তার সাজা স্থগিত করে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়।
Leave a Reply